পাড়ার পুজো থেকে একসঙ্গে কাজের সংকল্প
সরস্বতী পুজো আমাদের জীবন্ত সূচনা। সংকল্পের ভাবনা আরও বিস্তৃত—প্রজন্ম মিলিয়ে সংস্কৃতি, শিক্ষা, সেবা ও দায়িত্বের চর্চা।
সরস্বতী পুজো, গান, নাচ, বক্তৃতা ও পাড়ার উৎসব সংকল্প নাম নেওয়ার আগেও ছিল। প্রথম আয়োজনের সঠিক বছর এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের স্মৃতি অনুযায়ী প্রায় ছয়-সাত বছর স্থানীয়ভাবে সংকল্প নাম ব্যবহৃত হচ্ছে; এটি আনুমানিক সময়, নিবন্ধনের তারিখ নয়।
শুরুর আয়োজকদের মধ্যে বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের বর্ধিত পরিসর, পাড়ার মানুষ, বন্ধু ও স্বেচ্ছায় সময় বা সহায়তা দেওয়া মানুষেরা আছেন। পারিবারিক ধারাবাহিকতা এই সূচনার অংশ। তা থেকে বংশগত পরিচালনা, সদস্যপদ বা মালিকানার অধিকার তৈরি হয় না।
সংকল্প সংস্কৃতি পরিষদ বর্তমানে অনিবন্ধিত স্থানীয় উদ্যোগ। মালিকের অনুমতিতে ব্যক্তিগত জমিতে পুজোর আয়োজন হয়; জমি পরিষদের নামে হস্তান্তর নয়। ক্লাবঘর, প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব, আইনি পরিচয় ও করের স্বীকৃতি পৃথকভাবে যাচাই করতে হবে।
এখন একসঙ্গে বিধি, দায়িত্ব ও সামর্থ্যমাফিক ছোট কর্মসূচি স্থির করার সময়। শিকড়ে সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান চাই, যেখানে সিদ্ধান্তের নথি থাকে, জাতপাতের বিভাজন পেরিয়ে মানুষ মর্যাদা পান এবং কাজের ফল প্রমাণে বিচার হয়। ভবিষ্যতের কেন্দ্র, বিদ্যালয় ও শাখা আইনসম্মত পর্যালোচনা ও সামর্থ্যের অপেক্ষায় থাকা ভাবনা।